- Mon Oct 20, 2025 11:25 am#8958
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন ভাষার শব্দাবলী
১. ফারসি ভাষার শব্দ: আজাদ, আতশবাজী, আফসোস, আবাদ, আমদানি, আদমি, রপ্তানি, জিন্দা, জানোয়ার, নমুনা, আয়না, আলু, আসমান, আস্তানা, আস্তে, ইরানি, একতারা, একটা, ওস্তাদ, কম ,কামান, কারবার, কারসাজি, কারিগর, খানসামা, খুচরা, খুশি, গ্রেপ্তার, চশমা, চশমখোর, চাকর, চাদর, চাঁদা, চেহারা, জখম, জবানবন্দি,জামা, জামদানি, জোর, জোরদার, তন্দুর, তরমুজ, তীর, তীরন্দাজ, তোষামোদ, দরজা, দরদ, দরবেশ,দর্জি, দাগী, দারোগা, দারোয়ান, দালান, দুরবীন, দেরি, দোস্তী, নিশান, পর্দা,পশম, পাইকারি, পাজামা, পাঞ্জাবি, পোশাক, পোলাও, বখরা,বখশিস, বদ, বনাম, বন্দী, বরখাস্ত, বস্তা, বাগান, বাজার, বারবার,বালিশ, বতন, মজা, মজাদার, মজুরি, মরিচ, মরিচা, মাহিনা, রসদ,রসিদ, রাস্তা,শিরোনাম, সবজি, সবুজ,সরকার, সরাসরি, সর্দি, সাজা,সাদাসাদি,সাবাস,সুদ, সুপরিশ, সেতারা, বদমাস, হাঙ্গামা,হাজার ইত্যাদি।
২. আরবি শব্দ: অজুহাত,আকবর, আক্কেল, আজব, আবির, আমল, আমানত, আমিন, আলবৎ, আসবাব, আসল, ইনকিলাব, ইনাম, ইসলাম, এলাকা, ওজন, ওয়ারিশ, কবর, কবুল, কলাই, কাফন, কামাল, কামিজ, কায়দা, কুদরত, কেতাব, খতম, খাজনা, খেতাব,খেসারত, গরিব, ছবি, জনাব, জরিপ, জরিমানা, জাহাজ, জিনিস, তওবা, তহবিল, তামাম, দফা,দফারফা, দলিল, দাখিল, দালাল, দুনিয়া, দেনা, ছোঁয়া, দৌড়, দৌলত, নকল, নকশা, নগদ, নবাব, নায়েব, নিকা, নূর, ফতোয়া,ফাজিল, ফায়দা, বই, বন্ধুক, বদল, বাকি, বাতিল, বাদে, বাবদ, বিলাত, বোরকা, মক্কেল, মন, ময়দান, মসলা, মশাল, মসজিদ, মহরম, মাতব্বর, মাফ, মাল, মালিক, মুনাফা, মুলতবী, মুসলিম, মুসাফির, হেফাজত ইত্যাদি।
৩. ওলন্দাজ শব্দ: পর্তুগীজদের পর এ দেশে ওলান্দাজ বা ডাচরা এসেছিল ব্যবসায়িক কারণে। এদের কিছু কিছু শব্দ এখনো আমাদের ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। উল্লেখ্য, তাস সম্পর্কিত শব্দগুলো সব ওলন্দাজ শব্দ। যেমন- ইস্কাপন, টেক্কা, তুরুপ, রুইতন, হরতন ইত্যাদি।
৪. পর্তুগীজ শব্দ: আনারস, আলপিন, পাউরুটি, চাবি, কফি, কাকাতুয়া, কেরানি, গরাদ, গাঁদা, গীর্জা,জানালা, গোলাপ, আলকাতরা, আচার, আলমারি, আয়া, বোমা, বালতি, বন্দর, বাসন, মিস্ত্রি, নিলাম, লোনা, পেঁপে, পিস্তল, ক্রুশ, পাদ্রি, যিশু, পেয়ারা, কামরাঙা, কপি, তোয়ালে, গুদাম, তামাক, মস্করা, পাচার, বাতাবি, সাবান, টুপি, সালসা, বারান্দা, ফিতা, মাসুল, আতা, ফিরিঙ্গী, বোতল, গামলা, পাদরি,পিরিচত পেরেক, পেয়ালা, বেহালা, বর্গা, সাবু, ইত্যাদি শতাধিক বা তার বেশি পর্তুগীজ শব্দ রয়েছে বাংলা ভাষায়।
৫. ফরাসি শব্দ: বাংলায় ফরাসি শব্দের সংখ্যা কম এবং অনেক ক্ষেত্রে অন্য মাধ্যমে এগুলো বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। যেমন – কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোঁরা, ক্যাফে, বুর্জোয়া, মাদাম, ব্যালে, গ্যারেজ, এলিট, মেনু, বুফে, পিজা, সেমজি, বিস্কুট, আঁশ, খোরাকি, আঁতাত, ম্যাটিনি, রেনেসাঁ,দিনেমার ইংরেজ ইত্যাদি।
৬. গুজরাটি শব্দ: খদ্দর, হরতাল, জয়ন্তি।
৭. পাঞ্জাবি শব্দ: চাহিদা, শিখ।
৮. তুর্কি শব্দ: চাকু, তোপ, উজবুক, উর্দি, উর্দু, কঞ্চি, কাবু, কুর্নিশ, কুলি,কোর্মা, খাঁ, খান, খোকা, চকমক, চিক,চোগা, ঝকমক,ঠাকুর, তকমা, তালাশ, তুর্ক, বাবা, বাবুর্চি, সওগাত ইত্যাদি।
৯. চীনা শব্দ: চা, চিনি, লিচু, এলাচি ইত্যাদি।
১০. বর্মি শব্দ: কিয়াং, ফুঙ্গি, লামা ইত্যাদি।
১১. জাপানি শব্দ: রিকশা, হারিকিরি, প্যাগোডা, সাম্পান ইত্যাদি।
১২. গ্রিক শব্দ: দাম, সুড়ঙ্গ ইত্যাদি।
১. ফারসি ভাষার শব্দ: আজাদ, আতশবাজী, আফসোস, আবাদ, আমদানি, আদমি, রপ্তানি, জিন্দা, জানোয়ার, নমুনা, আয়না, আলু, আসমান, আস্তানা, আস্তে, ইরানি, একতারা, একটা, ওস্তাদ, কম ,কামান, কারবার, কারসাজি, কারিগর, খানসামা, খুচরা, খুশি, গ্রেপ্তার, চশমা, চশমখোর, চাকর, চাদর, চাঁদা, চেহারা, জখম, জবানবন্দি,জামা, জামদানি, জোর, জোরদার, তন্দুর, তরমুজ, তীর, তীরন্দাজ, তোষামোদ, দরজা, দরদ, দরবেশ,দর্জি, দাগী, দারোগা, দারোয়ান, দালান, দুরবীন, দেরি, দোস্তী, নিশান, পর্দা,পশম, পাইকারি, পাজামা, পাঞ্জাবি, পোশাক, পোলাও, বখরা,বখশিস, বদ, বনাম, বন্দী, বরখাস্ত, বস্তা, বাগান, বাজার, বারবার,বালিশ, বতন, মজা, মজাদার, মজুরি, মরিচ, মরিচা, মাহিনা, রসদ,রসিদ, রাস্তা,শিরোনাম, সবজি, সবুজ,সরকার, সরাসরি, সর্দি, সাজা,সাদাসাদি,সাবাস,সুদ, সুপরিশ, সেতারা, বদমাস, হাঙ্গামা,হাজার ইত্যাদি।
২. আরবি শব্দ: অজুহাত,আকবর, আক্কেল, আজব, আবির, আমল, আমানত, আমিন, আলবৎ, আসবাব, আসল, ইনকিলাব, ইনাম, ইসলাম, এলাকা, ওজন, ওয়ারিশ, কবর, কবুল, কলাই, কাফন, কামাল, কামিজ, কায়দা, কুদরত, কেতাব, খতম, খাজনা, খেতাব,খেসারত, গরিব, ছবি, জনাব, জরিপ, জরিমানা, জাহাজ, জিনিস, তওবা, তহবিল, তামাম, দফা,দফারফা, দলিল, দাখিল, দালাল, দুনিয়া, দেনা, ছোঁয়া, দৌড়, দৌলত, নকল, নকশা, নগদ, নবাব, নায়েব, নিকা, নূর, ফতোয়া,ফাজিল, ফায়দা, বই, বন্ধুক, বদল, বাকি, বাতিল, বাদে, বাবদ, বিলাত, বোরকা, মক্কেল, মন, ময়দান, মসলা, মশাল, মসজিদ, মহরম, মাতব্বর, মাফ, মাল, মালিক, মুনাফা, মুলতবী, মুসলিম, মুসাফির, হেফাজত ইত্যাদি।
৩. ওলন্দাজ শব্দ: পর্তুগীজদের পর এ দেশে ওলান্দাজ বা ডাচরা এসেছিল ব্যবসায়িক কারণে। এদের কিছু কিছু শব্দ এখনো আমাদের ভাষায় প্রচলিত রয়েছে। উল্লেখ্য, তাস সম্পর্কিত শব্দগুলো সব ওলন্দাজ শব্দ। যেমন- ইস্কাপন, টেক্কা, তুরুপ, রুইতন, হরতন ইত্যাদি।
৪. পর্তুগীজ শব্দ: আনারস, আলপিন, পাউরুটি, চাবি, কফি, কাকাতুয়া, কেরানি, গরাদ, গাঁদা, গীর্জা,জানালা, গোলাপ, আলকাতরা, আচার, আলমারি, আয়া, বোমা, বালতি, বন্দর, বাসন, মিস্ত্রি, নিলাম, লোনা, পেঁপে, পিস্তল, ক্রুশ, পাদ্রি, যিশু, পেয়ারা, কামরাঙা, কপি, তোয়ালে, গুদাম, তামাক, মস্করা, পাচার, বাতাবি, সাবান, টুপি, সালসা, বারান্দা, ফিতা, মাসুল, আতা, ফিরিঙ্গী, বোতল, গামলা, পাদরি,পিরিচত পেরেক, পেয়ালা, বেহালা, বর্গা, সাবু, ইত্যাদি শতাধিক বা তার বেশি পর্তুগীজ শব্দ রয়েছে বাংলা ভাষায়।
৫. ফরাসি শব্দ: বাংলায় ফরাসি শব্দের সংখ্যা কম এবং অনেক ক্ষেত্রে অন্য মাধ্যমে এগুলো বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। যেমন – কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোঁরা, ক্যাফে, বুর্জোয়া, মাদাম, ব্যালে, গ্যারেজ, এলিট, মেনু, বুফে, পিজা, সেমজি, বিস্কুট, আঁশ, খোরাকি, আঁতাত, ম্যাটিনি, রেনেসাঁ,দিনেমার ইংরেজ ইত্যাদি।
৬. গুজরাটি শব্দ: খদ্দর, হরতাল, জয়ন্তি।
৭. পাঞ্জাবি শব্দ: চাহিদা, শিখ।
৮. তুর্কি শব্দ: চাকু, তোপ, উজবুক, উর্দি, উর্দু, কঞ্চি, কাবু, কুর্নিশ, কুলি,কোর্মা, খাঁ, খান, খোকা, চকমক, চিক,চোগা, ঝকমক,ঠাকুর, তকমা, তালাশ, তুর্ক, বাবা, বাবুর্চি, সওগাত ইত্যাদি।
৯. চীনা শব্দ: চা, চিনি, লিচু, এলাচি ইত্যাদি।
১০. বর্মি শব্দ: কিয়াং, ফুঙ্গি, লামা ইত্যাদি।
১১. জাপানি শব্দ: রিকশা, হারিকিরি, প্যাগোডা, সাম্পান ইত্যাদি।
১২. গ্রিক শব্দ: দাম, সুড়ঙ্গ ইত্যাদি।

